বাংলা বচন বা ইংরেজি সংখ্যা নিয়ে ধারণা আছে আমাদের অনেকেরই। সাধারণত বিশ্বের অধিকাংশ ভাষাতেই বচন দুপ্রকারের হয়ে থাকে - একবচন এবং বহুবচন। তবে আরবি ভাষাতে যদ্দুর জানি বচন তিন প্রকার - একবচন, দ্বিবচন ও বহুবচন। যাকগে বিষ্ণুপ্রিয়াতেও বচন দু প্রকারের।
একবচন বলতে এক সংখ্যক বুঝায় বা কোন কিছুর পরিমাণ এক বুঝায়। বাংলায় আমরা শব্দের শেষে টি, টা, খান, খানা, খানি, গাছ, গাছা, গাছি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যোগ করে একবচন তৈরি করি। এই জায়গাতে বিষ্ণুপ্রিয়াতে ব্যবহৃত হবে গো, গা, হান
শৌগো, মানুগো, কুকুরগো, এই গা, দাদা, খুড়া মামা, এলাহান, মি, তি, তা, তেই
যেহানে একাধিক অর্থাৎ বহু সংখ্যা বুজার, উহানরে বহুবচন বুলতা ম; যেনন - মানুগি, কুকুর গি, এই গাগাছি, দাদাগাছি, খু ছাগাছি, মানাগাছি, এলাহানি, আমি, তুমি, তাঃ ।
বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীত বিশেষ্য বারো সর্বনাম – এ দ্বিয়ে।তার। ভি ভরে বচনভেদ থার। তদুপরি কতর বচনভেদে ক্রিয়ার হাব্বি
২ বচন হও করানির
শব্দ যােগ করিয়া
* অনেক’, ‘হাব্বি ,
শব্দ যোগ করিয়া নক জন, হাব্বি শৌ,
রূপেউ বচনভেদ অর্থাৎ একবচন এবং বহুবচন থার।
বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীত একবচন বারাে বহুবচন হউ ক নিয়মহানি এহানি :
- সাধারণতঃ সৰ্বত্ববোধক বা বহুত্ববোধক শব্দ যোগ | বহু বচন হঙকরানি অর; যেমন
- জাতিবাচক বিশেষ্যর লগে ‘বহু’, অনেক', 'হা কতো'— এ শব্দ এতা বা একাধিক-সংখ্যাবাচক শব্দ যােগ ? বহুবচন হঙকরানি অর; যেমন বহু মানু, অনেক জন, হাঝি কতাে বৈষ্ণব, পাচগো আউলি, চারিগাে গুরু ইত্যাদি । |
- সম্বন্ধবাচক একৰ চনবোধক শব্দর পিছে ‘গাছি’ | | সা. # গুচ্ছক ] যোগ করিয়া বহু বচন হউক রনি অ’র। যেমন, দাদ | গাছি, খুড়াগাছি, মামাগাছি ইত্যাদি।
- -অক- প্রত্যয়ান্ত সম্বন্ধবাচক একবচনবােধক শশু | পিছে ‘লঝেই’-শব্দ [সং. লোকানি ) যোগ করিয়া বহুবচন হর্ড | ক বনি অ’র। যেমন, আমকলকেই, খুড়তাকলকেই, জেরতকলকে ইত্যাদি।
- কুনাে কুনো ক্ষেত্রত প্রত্যয় যােগ করিয়াউ বহুবচন বুজানি অ’র। যেমন,
- -ই :- প্রত্যয় এগা ‘গে। এবং হান’ প্রত্যয়র লগে। যুক্ত অ'রা স্বল্পসংখ্যক -অর্থত বহুবচন হঙকরের । যেমন—মাগি, | মইষগি, পুতিহানি’ পাতাহানি ইত্যাদি ।
- -এই [সং. প্রথমা বহু, -আনি ] :—মৌ>মেৱেই, | ৰৌ >বৌৱেই; জেলা>জেলেই, গাবুগুৱ। > গাবুরাপুৱেই,
- জাঙ। >জাঙেই, বৌৱা বৌৱেই, জিয়া >জিয়েই ইত্যাদি । (এপেই জেলা ইত্যাদি শব্দর পিছে ‘এই’ -প্রয় স্বীকার | না করিম ‘ই’ -প্রত্যয় স্বীকার করলেউ চলে র । ‘ই’-কারর
- আগে ‘আ’-কার থাইলে ‘আ’-কার ‘এ’ কারে পরিণত অ’র।
- মাহেই [ দ্র. সং. মহান্তি ] প্রত্যয় এগাে বহু সংখ্যক -অর্থত যুক্ত অ’র । যেমন,-গুরুমা হেই, মানুমাহেই, রূপামাহেই ইত্যাদি ।
- বিশেষ্য বা বিশেষণর দ্বিরুক্তিলো বহুবচন হঙকরানি অ’র; যেমন
- (ক) ঘরে ঘরে, দেশে দেশে, গাছে গাছে, ফুলে ফুলে, বনে বনে; (খ) ডাঙর ডাঙর মাছ, হুক্কা হুঙ কথা, দল। দ’লা ফুল, নেম নেম গাছ, উচ উচ টেঙারা, মজা মজা হেইনৌ, রাঙা রাঙা ফুল, কালা কাল আঙারা।
- ৪।
- (ক) বিষ্ণুিপ্রিয়াত জাতিবাচক বিশেষাই হুবচনৰ অর্থ দেয়। যেমন, -- গুৰু, মামু, শৌ, ঘাট, পাতা, ইত্যাদি। এসাদে ত্রত জাতিবাচক শব্দ। লগে গো-প্রত্যয় বা -‘হান-প্রত্যয় লাগেয়া একবচন হঙকৰানি অর । যেমন গুরুগো, মাগো শৗগো, ঘটহান, পাতাহান ইত্যাদি । |
- (খ) নৈকট্য’ৰাচক বা ‘দূরত্ব’বাচক শব্দ জাতিৰ চক arশষ্য শব্দর বিশেষণ অ’ইলে ঔ ঔ বিশেষণর একবচন এবং সম্ভবচনলাে বিশেষ্যর একবচন বা বহু বচন হারপানি পাারিয়ার । বিশেষণ উতাৰ ক্ষেত্ৰত বরাে -‘গে-প্রত্যর বা ‘হান'প্রত্যয়লাে একবচন এবং তা প্রত্যয়লো বহুবচন বুজানি অ’র। রমন,- মনু এগো, মনু এত ; মানু ঔগো, মান্ন ঔতা; শো, শৌ এতা ; শৌ ঔগে, শৌ ঔতা ইত্যাদি।
বিশেষভাবে লক্ষণীয়হান যে, বিষ্ণুপ্রিয়ত বিশেষ্য বা নামর সাদে ক্রিয়াতৌ বচন ভেদ আছে। যেমন, - যাডারগা, ৰৰ গ; যিতেই গা, যিতারাইগা; গেছিলগা, গেছিলাগা ইত। দি।